আপনি করোনায় পজিটিভ? একদম ভাবনা নেই, সুস্থ হবেন ২ দিনেই -

আপনি করোনায় পজিটিভ? একদম ভাবনা নেই, সুস্থ হবেন ২ দিনেই -

img

মহামারী করোনাভাইরাস কোভিড-১৯ অর্থাৎ করোনায় পজিটিভ হলে হতাশ হবেন না মোটেই। এমনকি করোনার উপসর্গ অর্থাৎ সর্দি জ্বর, গলা ব্যথা বা কাশি যাহাই হোক না কেন - অবশ্যই নিয়ে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে অত্যন্ত কার্যকরী ও যথোপযুক্ত চিকিৎসা:

১) আদা, লেবু, তেজপাতা, এলাচি, লং, দাড়চিনি একটি পরিস্কার পাত্রে পানিতে নিয়ে ১৫ মিনিট ফুটাতে থাকুন।সাথে আস্তা লেবু ২টা।

২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কমপক্ষে ৫ মিনিট গরম বাষ্প নাক দিয়ে লম্বা টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে। দৈনিক এভাবে ৪ থেকে ৫ বার গ্রহণ করুন।

৩) তারপর এই ফুটন্ত আদা, লেবু, তেজপাতা ইত্যাদির মিক্স গরম পানি, চায়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন।

৪) সাথে খেতে পারেন নাপা এক্সটেন্ডেড বা এইচ প্লাস জাতীয় ঔষধ।

 

How to remedy from CoronaVirus Covid-19 | Corona Positive Solution

৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন, কমপক্ষে দৈনিক দুবার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহণ করুন। যতোবেশী নিতে পারেন নিন, তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন।

৬) প্লেটে আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে রাখুন। মুখে দিন একটু পরপর।

৭) আধা ঘন্টা পর পর গরম চা, গরম দুধ, কফি, গ্রিন টি পান করুন। গলা কোনভাবেই শুষ্ক রাখা যাবেনা। মনে রাখবেন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি বেশি খাবেন এ সময়। সিভিট জাতীয় ঔষধও খাবেন, রুচি ধরে রাখবেন, কষ্ট করে স্বাভাবিক খাবার অবশ্যই খাবেন যাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা immunity না কমে বরং বেড়ে যায়।

আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেন না, আপনার ‘কী রোগ হলো’ ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না। মনে রাখবেন, আসল কথা হচ্ছে মনোবল। কথায় আছে -"বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়"। তাই মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই আপনার যা ভালো লাগে তাই করবেন, মনোবল চাংগা রাখার জন্যে।

উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ২ দিন চিকিৎসা নিলে এটা পরীক্ষিত সত্য যে তৃতীয় দিনের দিন আপনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ হতে বাধ্য। ইনশাআল্লাহ। আপনি সুস্থ হয়ে অবশ্যই এটি শেয়ার করে অন্যকে সুস্থ হতে সহযোগিতা করুন। আল্লাহ আপনার আমার সবার সহায় হোন। আমিন।।

শেয়ার করে বন্ধুদের জানিয়ে দিন। নিজ টাইমলাইনে রেখে দিন। প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে।

- অনলাইন ডেস্ক।

 

ঠান্ডা নাকি সর্দি জ্বর, কখন ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত: করোনা ভাইরাস

সর্দি, কাশি, শুষ্ক গলা, এবং জ্বর যখন কেউ অসুস্থ বােধ করেন তখন এসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আর শুরুতেই এসব উপসর্গ দেখে অনেক সময় বােঝা কঠিন যে এটি ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ। 

প্রথম দেখায় করােনা ভাইরাসের, যা ২০১৯-এনকভ নামেও পরিচিত, লক্ষণগুলাে আর সাধারণ ঠান্ডা বা সর্দি জ্বরের লক্ষণগুলাে একই মনে হতে পারে। 

করােনা ভাইরাসের সাধারণ লক্ষণগুলাে: 
জ্বর, শুষ্ক কাশি, শ্বাসকষ্ট, মাংসপেশিতে ব্যথা, ক্লান্তি।  

করােনা ভাইরাসের সচরাচর দেখা যায় না এমন লক্ষণগুলাে:
কফ তৈরি হওয়া, মাথাব্যথা, কফে রক্ত আসা, ডায়রিয়া।

করােনা ভাইরাসের বিরল লক্ষণগুলাে: 
সর্দি, গলা ব্যথা।

সর্দি এবং গলা ব্যথা হচ্ছে শ্বাসযন্ত্রের উর্ধাংশের সংক্রমণ। ফলে যাদের সর্দি আছে এবং গলাব্যথা করছে তারা সাধারণ কোন ঠান্ডা বা ফ্লুতে আক্রান্ত বলে ধরে নেয়া যায়। শুরুতে অনেকের কোন লক্ষণই দেখা যায় না। করােনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর প্রাথমিকভাবে অনেকের শরীরেই কোন লক্ষণ দেখা যায় না। 

জার্মান সরকারের রােগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরােধ বিষয়ক সংস্থা রবার্ট-ক-ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই ভাইরাসটির ইনকিউবেশন পিরিয়ড হচ্ছে ১৪ দিন। আপনি যদি অসুস্থ বােধ করার পর নিশ্চিত না হন যে কী হয়েছে তাহলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হােন। একজন চিকিৎসক আপনার কফ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হতে পারবে আপনার ঠিক কী হয়েছে। 

রেসপিরেটরি মাস্ক কি উপকারী?
আসলে না, বর্তমান করােনা ভাইরাস নাক ঝাড়া এবং কাশির মাধ্যমে সংক্রমিত ব্যক্তির দেহ থেকে বের হওয়া ‘ড্রপলেটের' মাধ্যমে ছড়ায়। ফলে, নিরাপদ থাকার সবচেয়ে ভালাে উপায় হচ্ছে যারা সংক্রমিত বা সম্ভবত সংক্রমিত, তাদের কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকা। 

সংক্রমণমুক্ত থাকতে সাবান এবং গরম পানি দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে হাত ধােয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, সম্ভব হলে হাত ধােয়ার পর তা মুছতে ‘ডিসপােসেবল টাওয়েল' ব্যবহার করলে ভালাে হয়।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, অধিকাংশ ঠান্ডা বা ফু হয় ভাইরাসের কারণে৷ ফলে সেগুলাের বিরুদ্ধে লড়তে এন্টিবায়ােটিক ব্যবহার অর্থহীন। এন্টিবায়ােটিক শুধু ব্যাকটেরিয়া প্রতিরােধে কাজে লাগে, ভাইরাস নয়। এন্টিবায়ােটিক তখনই কাজে লাগে যখন কারাে শরীরের দুর্বল রােগপ্রতিরােধ ক্ষমতার সুযােগ নিয়ে ব্যাকটেরিয়া তার শরীরে প্রবেশ করে এবং সংখ্যা বৃদ্ধি করতে থাকে। আর এভাবে সংক্রমণ সৃষ্টি হতে পারে।
যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে। নিউমােনিয়া, টন্সিলে প্রদাহ, সিসটাইটিস বা মেনিনজাইটিস অধিকাংশক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। তাই সেসব রােগের  বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এন্টিবায়ােটিক প্রয়ােজন।

- অনলাইন ডেস্ক।

Comments